জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র একজন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক বিশেষ বাহিনী কর্মকর্তা এবং প্রত্নতত্ত্ববিদ। বিশ্ব ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে প্রাচীনকালের বিভিন্ন রহস্যময় ধাঁধা, সাংকেতিক চিহ্ন এবং গোপন ফাঁদ পার হয়ে তাকে বিভিন্ন রোমাঞ্চকর অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়।
<p><b>ইতিহাসের পাতায় এমন বিশাল গুপ্তধনের খোঁজ এর আগে আর কখনো হয়নি।</b></p><p>প্রাচীন পৃথিবীর সেই বিস্ময়কর সাতটি নিদর্শনের সন্ধানে আজ শক্তিশালী দেশগুলো এক মরণপণ প্রতিযোগিতায় মেতেছে। আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর আগের কথা—গিজার মহা পিরামিডের চূড়ায় এক মহিমান্বিত স্বর্ণশিখর বা 'ক্যাপস্টোন' বসানো ছিল। শোনা যায়, সেটি ছিল অসীম শক্তির আধার; যার দখলে ওই শিখর থাকবে, পৃথিবীর একচ্ছত্র আধিপত্য হবে তারই। কিন্তু কালের বিবর্তনে সেই মহামূল্যবান বস্তুটিকে সাতটি খণ্ডে ভাগ করে তৎকালীন বিশ্বের সাতটি শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যের গহীনে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
এখন ২০০৬ সাল। মহাকাশে এক বিরল মহাজাগতিক সূর্য-যোগ সমাগত। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণেই সেই সাতটি খণ্ডকে খুঁজে বের করে পুনরায় স্বর্ণশিখরটি গড়ে তোলার সময় হয়েছে। পৃথিবীর ক্ষমতাধর রাষ্ট্র থেকে শুরু করে দুর্ধর্ষ সব সন্ত্রাসী দল—সবার নজর এখন সেই ঐশ্বরিক ক্ষমতার দিকে। তবে এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছে আটটি ছোট দেশের এক দুঃসাহসী জোট। রহস্যময় ক্যাপ্টেন জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়রের নেতৃত্বে এই সংকল্পবদ্ধ দলটি এমন এক বৈশ্বিক রণক্ষেত্রে পা রেখেছে, যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপে ওত পেতে আছে মরণফাঁদ, কুমিরে ভরা জলাভূমি আর অশুভ সব শক্তি। এ যেন এক কল্পনাতীত অভিযান।
ইভনিং টেলিগ্রাফের ভাষায়, 'চারটি জেমস বন্ড সিনেমাতেও এত রোমাঞ্চকর কর্মকাণ্ড, গায়ের লোম খাড়া করা স্টান্ট আর মারাত্মক সব মারণাস্ত্রের দেখা মিলবে না। রাইলি বর্তমান সময়ের সবচাইতে তুখোড় অ্যাকশন লেখক।'</p>
পৃথিবীর শেষ মুহূর্ত সমাগত। প্রাচীন বিশ্বের সাতটি বিস্ময়ের রহস্যভেদের পর জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র আর তার দল এবার মুখোমুখি এক অসম্ভব চ্যালেঞ্জের। এক রহস্যময় আচারের কারণে শুরু হয়েছে মহাপ্রলয়ের ক্ষণগণনা, যা ধরিত্রীর বুক থেকে চিরতরে মুছে দিতে পারে জীবনের সব স্পন্দন।<br>এই ধ্বংসযজ্ঞ থামানোর একমাত্র উপায় কিংবদন্তির সেই আদিম যন্ত্র—‘দ্য মেশিন’। আর তার হদিস লুকিয়ে আছে ইতিহাসের কুয়াশায় হারিয়ে যাওয়া ‘ছয়টি পবিত্র পাথর’ বা ‘সিক্স সেক্রেড স্টোনস’-এর গোলকধাঁধায়।<br>পাথরের খোঁজে শুরু হলো এক উন্মত্ত বৈশ্বিক অভিযান। কিন্তু জ্যাক একা নয়; পর্দার আড়ালে ওত পেতে আছে এমন কিছু অশুভ শক্তি, যারা পৃথিবীর ধ্বংস দেখতেই বেশি আগ্রহী। ইংল্যান্ডের প্রাচীন স্টোনহেঞ্জ থেকে মিশরের ধূ ধূ মরুভূমি কিংবা চীনের থ্রি গর্জেস—একদিকে ইতিহাসের প্রাচীন রহস্য, অন্যদিকে আধুনিক সমরাস্ত্রের ঝনঝনানি।<br>ম্যাথিউ রাইলির স্বভাবসুলভ টানটান উত্তেজনায় ভরপুর এক রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চার! জ্যাক কি পারবে সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগে পৃথিবীকে বাঁচাতে?
<p>সবকিছুর শুরু সেই ছ’টি পাথর দিয়ে...<br>ইসরায়েলের তপ্ত মরুভূমি, জাপানের সুনামি-বিধ্বস্ত উপকূল আর মঙ্গোলিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি পেরিয়ে ম্যাথিউ রাইলি এবার নিয়ে এসেছেন তার এ যাবৎকালের সবচাইতে বড়ো আর ক্ষিপ্রগতির রোমাঞ্চ—‘দ্য ফাইভ গ্রেটেস্ট ওয়ারিয়র্স’।<br>অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র অলৌকিকভাবে ফিরে এসেছে মৃত্যুর মুখ থেকে। আসন্ন মহাপ্রলয় রুখতে এবং কিংবদন্তির সেই ‘যন্ত্র’ সচল করতে জ্যাক ও তার বিশ্বস্ত দল এবার ছুটছে এক প্রাচীন ধাঁধার খোঁজে। রহস্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ইতিহাসের নাম না জানা পাঁচ মহান যোদ্ধার জ্ঞানে।<br>কিন্তু সেই জ্ঞান আর অসীম শক্তির স্তম্ভগুলো হাতাতে ওত পেতে আছে পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সব অশুভ শক্তি। একদিকে চরম শক্তির লোভ, অন্যদিকে পৃথিবীর ধ্বংসের কাউন্টডাউন। চারিদিক থেকে শত্রুদের ঘেরাটোপে থাকা জ্যাকের দল কি পারবে মহাপ্রলয় রুখতে, নাকি তারা নিজেদের চোখেই দেখবে পৃথিবীর শেষ দিনটি?<br>রূদ্ধশ্বাস অ্যাকশন আর রোমাঞ্চে ভরপুর এক অবিশ্বাস্য অভিযানের জন্য প্রস্তুত হোন!<br></p>