<p>সবকিছুর শুরু সেই ছ’টি পাথর দিয়ে...<br>ইসরায়েলের তপ্ত মরুভূমি, জাপানের সুনামি-বিধ্বস্ত উপকূল আর মঙ্গোলিয়ার বিস্তীর্ণ তৃণভূমি পেরিয়ে ম্যাথিউ রাইলি এবার নিয়ে এসেছেন তার এ যাবৎকালের সবচাইতে বড়ো আর ক্ষিপ্রগতির রোমাঞ্চ—‘দ্য ফাইভ গ্রেটেস্ট ওয়ারিয়র্স’।<br>অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র অলৌকিকভাবে ফিরে এসেছে মৃত্যুর মুখ থেকে। আসন্ন মহাপ্রলয় রুখতে এবং কিংবদন্তির সেই ‘যন্ত্র’ সচল করতে জ্যাক ও তার বিশ্বস্ত দল এবার ছুটছে এক প্রাচীন ধাঁধার খোঁজে। রহস্যের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে ইতিহাসের নাম না জানা পাঁচ মহান যোদ্ধার জ্ঞানে।<br>কিন্তু সেই জ্ঞান আর অসীম শক্তির স্তম্ভগুলো হাতাতে ওত পেতে আছে পৃথিবীর ভয়ঙ্কর সব অশুভ শক্তি। একদিকে চরম শক্তির লোভ, অন্যদিকে পৃথিবীর ধ্বংসের কাউন্টডাউন। চারিদিক থেকে শত্রুদের ঘেরাটোপে থাকা জ্যাকের দল কি পারবে মহাপ্রলয় রুখতে, নাকি তারা নিজেদের চোখেই দেখবে পৃথিবীর শেষ দিনটি?<br>রূদ্ধশ্বাস অ্যাকশন আর রোমাঞ্চে ভরপুর এক অবিশ্বাস্য অভিযানের জন্য প্রস্তুত হোন!<br></p>
ম্যাথিউ রাইলি (জন্ম ১৯৭৪) একজন অস্ট্রেলীয় বেস্টসেলিং ঔপন্যাসিক, যিনি দ্রুতগতির অ্যাকশন-থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তার উল্লেখযোগ্য সিরিজগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কেয়ারক্রো (Scarecrow) এবং জ্যাক ওয়েস্ট জুনিয়র (Jack West Jr.)। তার বই ২০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং বিশ্বের বহু দেশে বেস্টসেলার হয়েছে।
মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ-এর জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ জুন, ১৯৮৮ সালে, তার নানা বাড়ি সিরাজগঞ্জে। বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ও মা গৃহিণী। জীবনের প্রথম অংশটুকু কেটেছে পাটগ্রাম আর চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে। রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এস.এস.সি. এবং রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে এইচ.এস.সি. পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম. বি. বি. এস. পাশ করেন। লেখালেখিতে তিনি আসেন মূলত শখের বশে।
সমকালীন সেরা তরুণ অনুবাদকদের মধ্যে রুদ্র কায়সার অন্যতম। শব্দের কারুকাজ আর মূল ভাষার ভাবের প্রতি একনিষ্ঠতা তার অনুবাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ আর বিশ্বসাহিত্যের বিচিত্র স্বাদ বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাড়না থেকেই তার অনুবাদ যাত্রার শুরু। অযথা আক্ষরিক অনুবাদের বেড়াজালে আটকে না থেকে মূল লেখকের দর্শন ও প্রেক্ষাপটকে অক্ষুণ্ণ রেখে সহজবোধ্য গদ্যে গল্প বলার এক সহজাত দক্ষতা তার রয়েছে। কেবল ভাষাান্তর নয়, বরং একটি সংস্কৃতির নির্যাসকে অন্য ভাষায় জীবন্ত করে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। দেশি-বিদেশি সমকালীন সাহিত্য, থ্রিলার এবং জীবনঘনিষ্ঠ ধ্রুপদী রচনার প্রতি রুদ্র কায়সারের বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি মননশীল পাঠ ও সৃজনশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত। রুদ্র কায়সার বিশ্বাস করেন, অনুবাদ হলো দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে এক পলিমাটির সেতু, যা বিশ্বসাহিত্যকে স্থানীয় পাঠকদের হৃদয়ের খুব কাছে নিয়ে আসে। পাঠকের ভালোবাসাই তার নিরন্তর পথচলার প্রেরণা। প্রথম অনুবাদ আগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার ইন মেসোপটেমিয়া’।
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।