লগইন রেজিস্টার
অর্ডার কনফার্ম করতে পেমেন্ট করুন।
📞 01515262381
-30% দ্য ভেনিশিয়ান বিট্রেয়াল
৳ 930 ৳ 651
পরিমাণ
অন্য যেখানে পাবেন: রকমারি.কম ওয়াফিলাইফ
কটন ম্যালোন #3

দ্য ভেনিশিয়ান বিট্রেয়াল

★★★★☆ 4.7 · 115 রেটিং · 1 রিভিউ

<p>কটন ম্যালোন আবার ফিরে এসেছেন, আর এবারের লড়াইটা আগের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ানক। এক মরণঘাতী ভাইরাস, যা আমাদের চেনা সভ্যতাকে নিমেষেই মুছে দিতে পারে। আর সেই মড়ক থেকে বাঁচার উপায়? তা লুকিয়ে আছে সুদূর অতীতের কোনো এক ধূলিধূসরিত অধ্যায়ে।<br>বিশ্বের ৪৫ জন প্রভাবশালী নেতা আর ধনাঢ্য ব্যক্তিদের এক গোপন সংগঠন ‘দ্য ভেনিশিয়ান লিগ’। তারা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর একটি জোটের সাথে হাত মিলিয়েছে এক বিধ্বংসী জৈব অস্ত্র তৈরির নেশায়। বার্ড ফ্লুর মতো এক ভাইরাসকে তারা কৃত্রিমভাবে এমনভাবে বদলে দিয়েছে, যা এখন ছড়াবে মানুষ থেকে মানুষে। যে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক আগে তৈরি করতে পারবে, ভবিষ্যতের বিশ্বযুদ্ধের চাবিকাঠি থাকবে তারই হাতে। অথচ অবাক করা বিষয় হলো, এই প্রতিষেধক হয়তো আবিষ্কৃত হয়েছিল শত শত বছর আগেই। আর সেই জাদুকরী ফর্মুলাটি কোথায় আছে, তার সূত্র লুকিয়ে আছে খোদ সম্রাট আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের কবরে।<br>ম্যালোনের পুরোনো সঙ্গী কাসিওপিয়া ভিট যখন এই হদিস পেলেন, তখন তিনি আর কটন মিলে শুরু করলেন আলেকজান্ডারের সেই হারিয়ে যাওয়া সমাধির খোঁজ। ম্যালোনের কাছে শুরুতে যা ছিল কেবল একটি জটিল ঐতিহাসিক ধাঁধার সমাধান খোঁজার এক রোমাঞ্চকর অভিযান, তাই অচিরেই রূপ নিল এক হাড়হিম করা লড়াইয়ে। এক চরম সত্যের মুখোমুখি হলেন তারা, যার প্রভাব কেবল বিশ্বরাজনীতিতেই নয়, বরং ম্যালোনের ব্যক্তিগত জীবনেও বয়ে আনবে অভাবনীয় ও ভয়ংকর সব পরিণতি।</p>

বইয়ের তথ্য

পৃষ্ঠা সংখ্যা
496
বাঁধাই
হার্ডকভার
প্রকাশনী
বোহো
প্রথম প্রকাশ
জুলাই ২০২৬
ভাষা
বাংলা
ISBN
—
স্টিভ বেরি
স্টিভ বেরি
লেখক

স্টিভ বেরি (জন্ম ১৯৫৫) একজন জনপ্রিয় মার্কিন লেখক, যিনি ইতিহাসভিত্তিক থ্রিলার উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি বিশেষভাবে তার কটন মালোন সিরিজের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন, যেখানে ইতিহাস, রাজনীতি, গুপ্ত রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চারের সমন্বয় দেখা যায়। তার বইগুলো বিশ্বের বহু দেশে প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে দ্য টেম্পলার লেগেসি, দ্য কলম্বাস অ্যাফেয়ার, দ্য কিং'স ডিসেপশন এবং দ্য মাল্টা এক্সচেঞ্জ। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ঐতিহাসিক গবেষণা ও সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত।

রুদ্র কায়সার
রুদ্র কায়সার
অনুবাদক

সমকালীন সেরা তরুণ অনুবাদকদের মধ্যে রুদ্র কায়সার অন্যতম। শব্দের কারুকাজ আর মূল ভাষার ভাবের প্রতি একনিষ্ঠতা তার অনুবাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ আর বিশ্বসাহিত্যের বিচিত্র স্বাদ বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাড়না থেকেই তার অনুবাদ যাত্রার শুরু। অযথা আক্ষরিক অনুবাদের বেড়াজালে আটকে না থেকে মূল লেখকের দর্শন ও প্রেক্ষাপটকে অক্ষুণ্ণ রেখে সহজবোধ্য গদ্যে গল্প বলার এক সহজাত দক্ষতা তার রয়েছে। কেবল ভাষাান্তর নয়, বরং একটি সংস্কৃতির নির্যাসকে অন্য ভাষায় জীবন্ত করে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। দেশি-বিদেশি সমকালীন সাহিত্য, থ্রিলার এবং জীবনঘনিষ্ঠ ধ্রুপদী রচনার প্রতি রুদ্র কায়সারের বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি মননশীল পাঠ ও সৃজনশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত। রুদ্র কায়সার বিশ্বাস করেন, অনুবাদ হলো দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে এক পলিমাটির সেতু, যা বিশ্বসাহিত্যকে স্থানীয় পাঠকদের হৃদয়ের খুব কাছে নিয়ে আসে। পাঠকের ভালোবাসাই তার নিরন্তর পথচলার প্রেরণা। প্রথম অনুবাদ আগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার ইন মেসোপটেমিয়া’।

মতামত

কাস্টমার রিভিউ

★ ★ ★ ★ ★
বইটি রেট করুন
এই বইটি রেট করতে হলে লগইন করুন। লগ ইন
5 স্টার
84 (73%)
4 স্টার
31 (27%)
3 স্টার
0 (0%)
2 স্টার
0 (0%)
1 স্টার
0 (0%)
মোট 1টি রিভিউ দেখানো হচ্ছে
M
MD ABIR HOSSAIN
27 Sep, 2026
★★★★★

দ্য ভেনিশিয়ান বিট্রেয়াল — স্টিভ বেরি কটন ম্যালোন এবার বেরিয়েছে নতুন এক রহস্যের উদঘাটনে। এবার তাদের গন্তব্য গ্রিক মহাবীর দ্য গ্রেট আলেকজান্ডারের সমাধি খুঁজে বের করা এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রহস্যের উন্মোচন করা। এদিকে সেন্ট্রাল এশিয়া ফেডারেশনের সুপ্রিম মিনিস্টার আইরিনা জোভাস্তিনা পরিকল্পনা করছেন এক বিশাল যুদ্ধের। তিনি বার্ড ফ্লুর মতো একটি ভাইরাসকে কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করে তৈরি করছেন ভয়ানক এক জৈব অস্ত্র। তাঁর পরিকল্পনা হলো, এই ভাইরাস ব্যবহার করে পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধ করে দেশগুলোকে সেন্ট্রাল এশিয়া ফেডারেশনের অংশ বানানো এবং দ্য গ্রেট আলেকজান্ডারের মতো একটি বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলা। এছাড়াও তাঁর অন্যতম লক্ষ্য দ্য গ্রেট আলেকজান্ডারের সমাধি খুঁজে বের করা, যার সঙ্গে তাঁর তৈরি ভাইরাসের প্রতিষেধকের একটি যোগসূত্র রয়েছে। এজন্য তিনি তাঁর লোকদের কাজে লাগিয়েছেন “এলিফ্যান্ট মেডেলিয়ন” নামের এক বিশেষ ধাতব মুদ্রা খুঁজে বের করার কাজে। সারা বিশ্বে এই মেডেলিয়ন রয়েছে মাত্র আটটি। অন্যদিকে, এনরিকো ভিনসেন্টি, যিনি দীর্ঘদিন একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কাজ করেছেন, সেখান থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর নিজেই একটি কোম্পানি খুলে বসেছেন। তাঁর লক্ষ্য গোপনে HIV-এর প্রতিষেধক তৈরি করে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা কামানো। এছাড়াও তাঁর কাছে রয়েছে জোভাস্তিনার তৈরি সেই ভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ন্ত্রণের উপায়। ভিনসেন্টির মূল উদ্দেশ্য হলো, তাঁর এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমে বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামের পাশে নিজের নামটিও যুক্ত করা। কটন ম্যালোন, ক্যাসিয়োপিয়া ভিট, হেনরিক ও স্টেফানি—সবাই পড়েছে মহাবিপদে। আইরিনার লোকেরা “গ্রিক ফায়ার” নামের এক রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে বিভিন্ন জায়গা জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু কেন? কটন ম্যালোনরা কি পারবে এই রহস্যের সমাধান করে আইরিনা ও ভিনসেন্টিকে থামাতে? এর বাইরে, এই বইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি চরিত্র হলো ভেক্টর টমাস এবং ইলাই লুন্ড। ভেক্টর বেশ অদ্ভুত একটি চরিত্র। বইটি পড়তে গিয়ে বারবার তার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠবে—সে আসলে কার হয়ে কাজ করছে? একবার মনে হবে, সে জোভাস্তিনার লোক; আবার পরমুহূর্তেই মনে হবে, সে আমেরিকার কোনো গুপ্ত গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করছে। এই চরিত্রটি নিয়ে পাঠক নিঃসন্দেহে দোটানায় থাকবে। এবার আসা যাক ইলাই লুন্ডের ব্যাপারে। ইলাই ভীষণ জ্ঞানী একজন চরিত্র। দ্য গ্রেট আলেকজান্ডার সম্পর্কে তার জ্ঞানের পরিধি অনেক বিস্তৃত। এই বইয়ের মূল রহস্যগুলোর একটি তার কাছেই প্রথমে উন্মোচিত হয়। বইয়ের অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার ও দ্রুতগতির থ্রিলারধর্মী কাহিনি আমাকে বেশ আনন্দ দিয়েছে। বরাবরের মতোই স্টিভ বেরির লেখার যে দিকটি আমার সবচেয়ে ভালো লাগে, তা হলো ইতিহাসের সঙ্গে লেখকের কল্পনার মিশ্রণ। এই বিষয়টিই আমি সবচেয়ে বেশি উপভোগ করি। ইতিহাসের বিশদ বর্ণনাও ছিল বেশ উপভোগ্য। এছাড়া প্রকৃতির বর্ণনা তো বাদই দিলাম। পড়ার সময় শুধু চোখ বন্ধ করে ভাবতাম—এই গল্পটা যদি কোনো সিনেমা হতো, তাহলে দৃশ্যপটগুলো কেমন হতো! স্টিভ বেরির আগে পড়া অন্য দুটি বইয়ের ক্ষেত্রেও আমার একই অনুভূতি হয়েছিল। এবার আসা যাক আসল কথায়—অনুবাদ কেমন? মোদ্দা কথা হলো, এই সিরিজের কোনো বইয়ের অনুবাদ নিয়েই আমার কোনো অভিযোগ নেই। অনুবাদ যথেষ্ট সাবলীল, বুঝতে কোনো অসুবিধা হয় না। বরং দ্রুততার সঙ্গে পড়ে যাওয়া যায়। সব মিলিয়ে, দ্য ভেনিশিয়ান বিট্রেয়াল আমার কাছে ছিল ইতিহাস, রহস্য, অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার ও ষড়যন্ত্রে ভরপুর একটি দ্রুতগতির থ্রিলার—যেটা পড়ার সময় বারবার মনে হয়েছে, গল্পটা যেন চোখের সামনে সিনেমার মতো চলছে।

📞 💬
বইয়ের নমুনা
নোটিফাই করুন

বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।