30%
পড়ে দেখুন
Rate This Book
ট্রিগার মরটিস (জেমস বন্ড #১)
Translated by রুদ্র কায়সার, শোভন নবী
Buy from Other Retailers:
RATINGS
সময়টা ১৯৫৭ সাল। ফোর্ট নক্সের মরণপণ লড়াই শেষে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছে জেমস বন্ড। সঙ্গে ছিল অনিন্দ্য রূপবতী পুসি গ্যালোর। মেয়েটা কড়া মেজাজী হলেও ক্ষুরধার দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। বন্ডকে জেতাতে রীতিমতো জান বাজি রেখেছিল এই মেয়ে, শেষ পর্যন্ত তার পাশে থেকেছে। দুজনেই যখন বড্ড ক্লান্ত আর অবসন্ন, ঠিক তখনই পৃথিবীটা অস্থির হয়ে উঠল। সোভিয়েত ইউনিয়ন আর পশ্চিমা দেশগুলো একে অপরকে টেক্কা দিতে আদাজল খেয়ে নেমেছে। টেকনোলজিক্যাল শক্তিতে কে কার চেয়ে বেশি শক্তিধর, সেই লড়াইয়ে নেমেছে তারা। এইসবের মধ্যেই আড়াল থেকে ফণা তুলেছে কুখ্যাত সোভিয়েত গুপ্তচর সংস্থা স্মার্শ।
এক ভয়ঙ্কর ফন্দি এঁটেছে সংস্থাটি। ইউরোপের সবচেয়ে বিপজ্জনক ট্র্যাকে গ্রাঁ প্রি রেস পণ্ড করে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্য কিছু ভেবে রেখেছিলেন। বন্ডের চোখে হঠাৎ করেই ধরা পড়ল এক দৃশ্য। স্মার্শের ড্রাইভার চুপিচুপি শলাপরামর্শ করছে এক রহস্যময় কোরিয়ান ধনকুবেরের সাথে। খটকা লাগল বন্ডের মনে। বুঝল, বড়ো কোনো সর্বনাশের এ কেবল শুরু।
শুরু হলো আরেক দৌড়। এ শুধুমাত্র গতির লড়াই নয়, এ হলো অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ। বন্ড বুঝতে পারল, এই চক্রান্ত সফল হলে পশ্চিমা দুনিয়া ধুলোয় মিশে যাবে।এই অভিযানে বন্ডের পাশে আবার দেখা যাবে চেনা মুখগুলো। সেই সাথে থাকবে এম আর মিস মানিপেনি। আরও গতি, বিপদ আর শয়তানি বুদ্ধির এক অদ্ভুত রসায়ন। এই গল্পে ইয়ান ফ্লেমিংয়ের অপ্রকাশিত কিছু অংশও আছে।
ঠিক যেমনটি ফ্লেমিং ভেবেছিলেন, বন্ড এখানে তেমনই এক রক্ত-মাংসের মানুষ। জীবনের বাঁকে বাঁকে মৃত্যু ওত পেতে থাকে, তবুও মানুষ এগিয়ে যায়। এটাই তো নিয়ম।
| Pages | |
|---|---|
| Binding | হার্ডকভার |
| Publisher | বোহো |
| Language | বাংলা |
| ISBN |
