লগইন রেজিস্টার
অর্ডার কনফার্ম করতে পেমেন্ট করুন।
📞 01515262381
-30% ট্রিগার মরটিস
৳ 580 ৳ 406
পরিমাণ
অন্য যেখানে পাবেন: রকমারি.কম ওয়াফিলাইফ
জেমস বন্ড #1

ট্রিগার মরটিস

★★★★☆ 4.6 · 145 রেটিং · 1 রিভিউ

<p>সময়টা ১৯৫৭ সাল। ফোর্ট নক্সের মরণপণ লড়াই শেষে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছে জেমস বন্ড। সঙ্গে ছিল অনিন্দ্য রূপবতী পুসি গ্যালোর। মেয়েটা কড়া মেজাজী হলেও ক্ষুরধার দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন। বন্ডকে জেতাতে রীতিমতো জান বাজি রেখেছিল এই মেয়ে, শেষ পর্যন্ত তার পাশে থেকেছে। দুজনেই যখন বড্ড ক্লান্ত আর অবসন্ন, ঠিক তখনই পৃথিবীটা অস্থির হয়ে উঠল। সোভিয়েত ইউনিয়ন আর পশ্চিমা দেশগুলো একে অপরকে টেক্কা দিতে আদাজল খেয়ে নেমেছে। টেকনোলজিক্যাল শক্তিতে কে কার চেয়ে বেশি শক্তিধর,&nbsp; সেই লড়াইয়ে নেমেছে তারা। এইসবের মধ্যেই আড়াল থেকে ফণা তুলেছে কুখ্যাত সোভিয়েত গুপ্তচর সংস্থা স্মার্শ।</p><p>এক ভয়ঙ্কর ফন্দি এঁটেছে সংস্থাটি। ইউরোপের সবচেয়ে বিপজ্জনক ট্র্যাকে গ্রাঁ প্রি রেস পণ্ড করে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু বিধাতা হয়তো অন্য কিছু ভেবে রেখেছিলেন। বন্ডের চোখে হঠাৎ করেই ধরা পড়ল এক দৃশ্য। স্মার্শের ড্রাইভার চুপিচুপি শলাপরামর্শ করছে এক রহস্যময় কোরিয়ান ধনকুবেরের সাথে। খটকা লাগল বন্ডের মনে। বুঝল, বড়ো কোনো সর্বনাশের এ কেবল শুরু।</p><p>শুরু হলো আরেক দৌড়। এ শুধুমাত্র গতির লড়াই নয়, এ হলো অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ। বন্ড বুঝতে পারল, এই চক্রান্ত সফল হলে পশ্চিমা দুনিয়া ধুলোয় মিশে যাবে।এই অভিযানে বন্ডের পাশে আবার দেখা যাবে চেনা মুখগুলো। সেই সাথে থাকবে এম আর মিস মানিপেনি। আরও গতি, বিপদ আর শয়তানি বুদ্ধির এক অদ্ভুত রসায়ন। এই গল্পে ইয়ান ফ্লেমিংয়ের অপ্রকাশিত কিছু অংশও আছে।</p><p>ঠিক যেমনটি ফ্লেমিং ভেবেছিলেন, বন্ড এখানে তেমনই এক রক্ত-মাংসের মানুষ। জীবনের বাঁকে বাঁকে মৃত্যু ওত পেতে থাকে, তবুও মানুষ এগিয়ে যায়। এটাই তো নিয়ম।</p>

বইয়ের তথ্য

পৃষ্ঠা সংখ্যা
২০৮
বাঁধাই
হার্ডকভার
প্রকাশনী
বোহো
প্রথম প্রকাশ
মে ২০২৬
ভাষা
বাংলা
ISBN
—
অ্যান্টনি হরোউইৎজ
অ্যান্টনি হরোউইৎজ
লেখক

অ্যান্টনি হরোউইৎজ (জন্ম ১৯৫৫) একজন খ্যাতিমান ব্রিটিশ লেখক ও চিত্রনাট্যকার। তিনি রহস্য, থ্রিলার ও কিশোর সাহিত্য রচনার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তার জনপ্রিয় Alex Rider সিরিজ তরুণ পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া তিনি শার্লক হোমস ও জেমস বন্ডের মতো বিখ্যাত চরিত্রকে কেন্দ্র করে নতুন উপন্যাস লিখে বিশেষ প্রশংসা পেয়েছেন। তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে দ্য ওয়ার্ড ইজ মার্ডার, ম্যাগপাই মার্ডারস, দ্য সেন্টেন্স ইজ ডেথ, আ লাইন টু কিল এবং উইথ আ মাইন্ড টু কিল। টেলিভিশনের জন্যও তিনি বহু সফল চিত্রনাট্য লিখেছেন।

রুদ্র কায়সার
রুদ্র কায়সার
অনুবাদক

সমকালীন সেরা তরুণ অনুবাদকদের মধ্যে রুদ্র কায়সার অন্যতম। শব্দের কারুকাজ আর মূল ভাষার ভাবের প্রতি একনিষ্ঠতা তার অনুবাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ আর বিশ্বসাহিত্যের বিচিত্র স্বাদ বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাড়না থেকেই তার অনুবাদ যাত্রার শুরু। অযথা আক্ষরিক অনুবাদের বেড়াজালে আটকে না থেকে মূল লেখকের দর্শন ও প্রেক্ষাপটকে অক্ষুণ্ণ রেখে সহজবোধ্য গদ্যে গল্প বলার এক সহজাত দক্ষতা তার রয়েছে। কেবল ভাষাান্তর নয়, বরং একটি সংস্কৃতির নির্যাসকে অন্য ভাষায় জীবন্ত করে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। দেশি-বিদেশি সমকালীন সাহিত্য, থ্রিলার এবং জীবনঘনিষ্ঠ ধ্রুপদী রচনার প্রতি রুদ্র কায়সারের বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি মননশীল পাঠ ও সৃজনশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত। রুদ্র কায়সার বিশ্বাস করেন, অনুবাদ হলো দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে এক পলিমাটির সেতু, যা বিশ্বসাহিত্যকে স্থানীয় পাঠকদের হৃদয়ের খুব কাছে নিয়ে আসে। পাঠকের ভালোবাসাই তার নিরন্তর পথচলার প্রেরণা। প্রথম অনুবাদ আগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার ইন মেসোপটেমিয়া’।

শোভন নবী
শোভন নবী
অনুবাদক

এই অনুবাদক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই যুক্ত করা হবে।

ভিডিও

সম্পর্কিত ভিডিও

video
মতামত

কাস্টমার রিভিউ

★ ★ ★ ★ ★
বইটি রেট করুন
এই বইটি রেট করতে হলে লগইন করুন। লগ ইন
5 স্টার
90 (62%)
4 স্টার
50 (34%)
3 স্টার
5 (3%)
2 স্টার
0 (0%)
1 স্টার
0 (0%)
মোট 1টি রিভিউ দেখানো হচ্ছে
S
Shuvagoto Dip
05 Sep, 2026
★★★★☆

"অ্যান্টনি হরোউইৎজের কলমে বন্ড এখানে হয়ে উঠেছে Cinematically Alive! এজেন্ট 007 ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট প্রবাদপ্রতিম চরিত্র। আর তার সাথে সুবিচারটাও বেশ গুরুত্ব আর মেধার সাথে করেছেন হরোউইৎজ।" ১৯৫৭ সাল। ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের প্রবাদপ্রতিম এজেন্ট জেমস বন্ড। যার কোড নাম্বার 007। অতি সম্প্রতি একটা ভয়ঙ্কর মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছে সে। বন্ডের সাথে জুটে গেছে পুসি গ্যালোর নামের এক অনিন্দ্যসুন্দরী আমেরিকান তরুণী। আপাতত মিস গ্যালোর আর বন্ড একসাথেই থাকছে। হঠাৎ ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তি এম তাঁর সবচেয়ে চৌকস এজেন্টকে ডেকে পাঠালেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে জার্মানির নুরবারগ্রিংয়ে অনুষ্ঠিতব্য গ্রাঁ প্রি কার রেসিং গ্রাউন্ডে ব্রিটিশ সেলিব্রিটি রেসার ল্যান্সি স্মিথকে সোভিয়েতরা খুন করবে। সোভিয়েতদের এই ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়ার জন্যই জেমস বন্ডকে এবার অবতীর্ণ হতে হবে রেসিং কারের ড্রাইভারের ভূমিকায়। জার্মানির বিখ্যাত নুরবারগ্রিং রেসিং গ্রাউন্ডে পৌঁছে জেমস বন্ড লক্ষ্য করলো ষড়যন্ত্রের শিকড় আরো গভীরে প্রোথিত হয়ে আছে। সেখানে দেখা গেলো কোরিয়ান ধনকুবের সিন জেই সিয়ং বা জেসন সিনকে। রাশিয়ানদের সাথে এতো দহরমমহরম কিসের লোকটার। সোভিয়েত গুপ্তচর সংস্থা স্মার্শের (SMERSH) সাথে কি কোন গোপন মিশন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে জেসন সিন? রেসিং ট্র‍্যাকে মারাত্মক বিপজ্জনক একটা রেস যেন বন্ডের জন্য সূচনা ছিলো এই রহস্যময় কোরিয়ান ধনকুবেরের সাথে তার সামনের দ্বৈরথের। পশ্চিমা বিশ্বের প্রায় সবগুলো প্রভাবশালী দেশই লেগে আছে মহাকাশ জয়ের নেশায়। রকেট উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে মহাকাশ গবেষণার প্রত্যেকটা স্তরে নিজেদের সাফল্যের সাক্ষর রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সোভিয়েত ইউনিয়ন আর আমেরিকা। আমেরিকান রকেট ভ্যানগার্ড উৎক্ষেপণের ঠিক কয়েকদিন আগে কিছু ঘটনাচক্রে জেমস বন্ড আভাস পেলো আরেক ষড়যন্ত্রের। এবারও এসবের পেছনে আছে স্মার্শ। আর এখানেও স্মার্শের সাথে হাত মেলানো জেসন সিনের উপস্থিতি বন্ডের ষষ্ঠেন্দ্রিয়কে তীক্ষ্ণ করে তুললো। আর সিন লোকটাও যে মারাত্মক বিপজ্জনক, সেটা বেশ ভালোভাবে জানা হয়ে গেলো তার। পুরো আমেরিকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়া জাল ডলার আর আমেরিকান রকেট ভ্যানগার্ডের উৎক্ষেপন বানচাল করে দেয়ার ষড়যন্ত্র থামাতে এজেন্ট 007 আদাজল খেয়ে লাগলো। এই মিশনে তার সঙ্গী হলো সিআইএ'র ফিল্ড এজেন্ট জেপার্ডি লেন। জীবনে অনেকগুলো বিপজ্জনক মিশন শেষ করে আসা বন্ডের এবারের শত্রু অত্যন্ত স্মার্ট আর ভয়ানক মানসিক শক্তির অধিকারী। ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের সবচেয়ে চৌকস এজেন্ট কি পারবে ম্যানিয়াকটাকে থামাতে? নাকি ব্যর্থতার কবরে জীবন্ত দাফন হয়ে যাবে তার? বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখক ও জেমস বন্ড চরিত্রের স্রষ্টা ইয়ান ফ্লেমিংয়ের জেমস বন্ড বিষয়ক উপন্যাস 'গোল্ডফিংগার'-এর পরের কাহিনি 'ট্রিগার মরটিস'। বইটার বেশ কিছু অংশের খসড়া ইয়ান ফ্লেমিং নিজেই করে রেখে গেছিলেন। সেগুলোকেই কাজে লাগিয়ে 'ট্রিগার মরটিস' লিখেছেন এই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক অ্যান্টনি হরোউইৎজ। শুধু এটাই না, হরোউইৎজ পরবর্তীতে আরো দুটো বন্ড কাহিনি লিখেছেন। যাই হোক, 'ট্রিগার মরটিস' উপন্যাসে তিনি চেষ্টা করেছেন ফ্লেমিংয়ের সেই আদি ও অকৃত্রিম চরিত্র জেমস বন্ডকে অবিকৃতভাবে দেখানোর। সেই চেষ্টায় তিনি অনেকাংশে সফল। বইটা পড়ার সময় মাঝেমাঝে আমি নিজেই ভুলে যাচ্ছিলাম যে আমি ইয়ান ফ্লেমিংয়ের না, বরং অ্যান্টনি হরোউইৎজের লেখা পড়ছি। উপন্যাসের কাহিনিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারটা হরোউইৎজ বেশ ভালোভাবেই করতে পেরেছেন, যেটা আমাকে ভিন্টেজ বন্ড নোভেল পড়ার একটা ফিল দিয়েছে অনেকদিন পর। অ্যান্টনি হরোউইৎজের কলমে বন্ড এখানে হয়ে উঠেছে Cinematically Alive! এজেন্ট 007 ইয়ান ফ্লেমিংয়ের সৃষ্ট প্রবাদপ্রতিম চরিত্র। আর তার সাথে সুবিচারটাও বেশ গুরুত্ব আর মেধার সাথে করেছেন হরোউইৎজ। পুরো 'ট্রিগার মরটিস' জুড়ে স্পাই থ্রিলারের সাথে সাথে ছিলো ধুন্ধুমার অ্যাকশনের উপস্থিতি। বিশেষ করে শেষের দিকে এসে বেশ শ্বাসরুদ্ধকর একটা পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিলো। এজেন্ট 007-কে একটা অ্যাক্টিভ মিশনে এভাবে অনেকদিন বাদে দেখলাম। 'ট্রিগার মরটিস'-এ আমার সবচেয়ে ভালো লাগার ব্যাপার ছিলো এর মূল অ্যান্টাগনিস্ট কোরিয়ান ধনকুবের সিন জেই সিয়ং বা জেসন সিন। ঠান্ডা মাথার এই লোকটার ব্যক্তিত্ব আর কর্মকাণ্ড এক ধরণের ভয় জাগানিয়া অনুভূতির সৃষ্টি করেছিলো ভেতরে। জেমস বন্ডের সাথে সিনের কথোপকথনের জায়গাগুলোও বেশ উপভোগ্য লেগেছে আমার কাছে। বিশেষভাবে ভালো লেগেছে সিনের ব্যাকস্টোরি। এই জায়গাটাতে অ্যান্টনি হরোউইৎজ বেশ বিস্তারিতভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যেকার যুদ্ধপরিস্থিতি আর সেখানে আমেরিকার ঘৃণ্য হস্তক্ষেপের ব্যাপারগুলো তুলে ধরেছেন। এই ব্যাপারগুলো জেসন সিনের ব্যাকস্টোরিকে আরো স্ট্রং করেছে। সেই সাথে তার পরবর্তী কর্মকাণ্ডের পেছনের কারণটাও পরিস্কার করতে পেরেছে অনেকটাই। 'ট্রিগার মরটিস'-এর মধ্যভাগ পর্যন্ত আমার কাছে এটাকে মাঝারি মানের কোন জেমস বন্ড নোভেল বলে মনে হচ্ছিলো। ঠিক এরপরেই কাহিনিটা এমন এক গতিশীলতা লাভ করেছে, যা বজায় ছিলো একদম এর শেষটা পর্যন্ত। একটা জেমস বন্ড বিষয়ক উপন্যাস হিসেবে 'ট্রিগার মরটিস'-এর শেষটাও আমার কাছে ভালো লেগেছে। ইচ্ছা আছে হরোউইৎজ বন্ড সিরিজের পরবর্তী বইদুটোও শীঘ্রই পড়ে ফেলার। 'ট্রিগার মরটিস' অনুবাদ করেছেন শোভন নবী ও রুদ্র কায়সার। অনুবাদ বেশিরভাগ জায়গাতেই সুখপাঠ্য ও সাবলীল ছিলো। তবে বইটার সম্পাদনা আমাকে রীতিমতো হতাশ করেছে। বেশ ভালো পরিমাণ টাইপিং মিসটেকের দেখা পেয়েছি বইটা পড়তে গিয়ে। কিছু বাক্য বারবার পড়েও মানেটা সম্পূর্ণভাবে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যাপারগুলো বইটা পড়ার ক্ষেত্রে বেশ ভালো রকম বিরক্তির উদ্রেক করেছে। সম্পাদনাটা আরো সময় নিয়ে ও আরো গুরুত্ব দিয়ে করলে এই ভুলগুলো অনেকাংশে এড়ানো যেতো বলে মনে হয়েছে আমার। পরবর্তীতে এই ব্যাপারটার দিকে সংশ্লিষ্টরা ভালোভাবে খেয়াল করবেন আশা করি। 'ট্রিগার মরটিস'-এর প্রচ্ছদটা ভালো লেগেছে আমার কাছে। ক্লাসি একটা ভাইব টের পাওয়া যায়। অবশ্য ফুল বক্সসেটটাই দারুণ করেছে বোহো। আমার কপিতে একটা পুরো ফর্মা মিসিং ছিলো। ব্যাপারটা প্রকাশককে জানাতেই তিনি বেশ দ্রুত হেল্প করেছেন। সেই সাথে আমার কপিটা বদলেও দিতে চেয়েছেন। তাঁকে ধন্যবাদ। বোহো'র সফলতা কামনা করি। বন্ড কাহিনির অনুরাগীদের ভালো লাগবে 'ট্রিগার মরটিস'। আর নতুন পাঠক, যারা স্পাই থ্রিলার ও এসপিওনাজ থ্রিলার জনরাটা ভিন্টেজ ফর্মে এক্সপ্লোর করতে চান, তারাও ট্রাই করে দেখতে পারেন বইটা। রিকমেন্ড করছি। ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৭৫/৫ বই: ট্রিগার মরটিস (হরোউইৎজ বন্ড # ১) লেখক: অ্যান্টনি হরোউইৎজ অনুবাদ: শোভন নবী ও রুদ্র কায়সার প্রকাশক: বোহো প্রকাশকাল: মার্চ, ২০২৬ ঘরানা: স্পাই থ্রিলার/এসপিওনাজ থ্রিলার/অ্যাকশন প্রচ্ছদ: রুদ্র কায়সার পৃষ্ঠা: ২০৮ মুদ্রিত মূল্য: ৫৮০ টাকা ফরম্যাট; হার্ডকভার (৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, রাত ৭ টা ১৩ মিনিট; নাটোর)

📞 💬
বইয়ের নমুনা
নোটিফাই করুন

বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।