<p><i><span style="font-weight: bolder;">কটন ম্যালোন ট্রিলজির প্রথম তিনটি উপন্যাস একসাথে:</span><br>১| দ্য টেম্পলার লেগেসি<br>২| দ্য আলেকজান্দ্রিয়া লিংক<br>৩| দ্য ভেনিশিয়ান বিট্রেয়াল<br></i></p><p><i><br></i><span style="font-size: 1rem;"><span style="font-weight: bolder;">সাথে থাকছে:</span><b><br></b></span><i style="font-size: 1rem;">তিনটি ক্যারেকটার কার্ড<br></i><i style="font-size: 1rem;">তিনটি বুকমার্ক</i></p>
স্টিভ বেরি (জন্ম ১৯৫৫) একজন জনপ্রিয় মার্কিন লেখক, যিনি ইতিহাসভিত্তিক থ্রিলার উপন্যাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। তিনি বিশেষভাবে তার কটন মালোন সিরিজের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন, যেখানে ইতিহাস, রাজনীতি, গুপ্ত রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চারের সমন্বয় দেখা যায়। তার বইগুলো বিশ্বের বহু দেশে প্রকাশিত হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে দ্য টেম্পলার লেগেসি, দ্য কলম্বাস অ্যাফেয়ার, দ্য কিং'স ডিসেপশন এবং দ্য মাল্টা এক্সচেঞ্জ। লেখালেখির পাশাপাশি তিনি ঐতিহাসিক গবেষণা ও সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত।
মো. ফুয়াদ আল ফিদাহ-এর জন্মগ্রহণ করেছেন ২৫ জুন, ১৯৮৮ সালে, তার নানা বাড়ি সিরাজগঞ্জে। বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ও মা গৃহিণী। জীবনের প্রথম অংশটুকু কেটেছে পাটগ্রাম আর চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে। রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এস.এস.সি. এবং রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে এইচ.এস.সি. পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে এম. বি. বি. এস. পাশ করেন। লেখালেখিতে তিনি আসেন মূলত শখের বশে।
সমকালীন সেরা তরুণ অনুবাদকদের মধ্যে রুদ্র কায়সার অন্যতম। শব্দের কারুকাজ আর মূল ভাষার ভাবের প্রতি একনিষ্ঠতা তার অনুবাদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগ আর বিশ্বসাহিত্যের বিচিত্র স্বাদ বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার তাড়না থেকেই তার অনুবাদ যাত্রার শুরু। অযথা আক্ষরিক অনুবাদের বেড়াজালে আটকে না থেকে মূল লেখকের দর্শন ও প্রেক্ষাপটকে অক্ষুণ্ণ রেখে সহজবোধ্য গদ্যে গল্প বলার এক সহজাত দক্ষতা তার রয়েছে। কেবল ভাষাান্তর নয়, বরং একটি সংস্কৃতির নির্যাসকে অন্য ভাষায় জীবন্ত করে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। দেশি-বিদেশি সমকালীন সাহিত্য, থ্রিলার এবং জীবনঘনিষ্ঠ ধ্রুপদী রচনার প্রতি রুদ্র কায়সারের বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। ব্যক্তিজীবনে তিনি মননশীল পাঠ ও সৃজনশীল কাজের সাথে সম্পৃক্ত। রুদ্র কায়সার বিশ্বাস করেন, অনুবাদ হলো দুটি ভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে এক পলিমাটির সেতু, যা বিশ্বসাহিত্যকে স্থানীয় পাঠকদের হৃদয়ের খুব কাছে নিয়ে আসে। পাঠকের ভালোবাসাই তার নিরন্তর পথচলার প্রেরণা। প্রথম অনুবাদ আগাথা ক্রিস্টির ‘মার্ডার ইন মেসোপটেমিয়া’।
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!
বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।