<p>পঞ্চাশ বছর আত্মগোপনে থাকার পর, বুচার অব স্পিগেলগ্রান্ড নামে পরিচিত এক নাৎসি যুদ্ধাপরাধীকে অবশেষে খুঁজে বের করেন ফাদার অ্যান্থনি ফাউলার। ফাউলার একজন সিআইএ অপারেটিভ এবং ভ্যাটিকানের গোপন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য। তিনি ওই যুদ্ধাপরাধীর কাছ থেকে একটি বিশেষ জিনিস চেয়েছিলেন। আর সেটি হলো ফিলিগ্রি সোনালি কারুকাজ করা একটি মোমবাতি, যা অনেক বছর আগে এক ইহুদি পরিবারের কাছ থেকে চুরি করা হয়েছিল।<br>তবে ফাউলারের আসল উদ্দেশ্য সেই সোনা নয়। যখন ফাউলার মোমবাতিটিতে আগুনের শিখা স্পর্শ করেন, তখন মোমের ভেতর থেকে প্রাচীন এক মানচিত্রের হারানো টুকরোটি বেরিয়ে আসে। সেই মানচিত্রটি মোজেসের পাওয়া ‘দশ আজ্ঞা’ বা টেন কমান্ডমেন্টস-এর গোপন অবস্থানের কথা প্রকাশ করে দেয়। শীঘ্রই ফাউলার একজন অন্তর্মুখী বিলিওনেয়ারের আয়োজিত জর্ডান অভিযানে যোগ দেন। কিন্তু সেই দলে একজন বিশ্বাসঘাতক আছে, যার সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে। সে সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায় আছে আঘাত হানার জন্য।<br>যুদ্ধকালীন ভিয়েনা থেকে নিউ ইয়র্কের সন্ত্রাসী আস্তানা এবং জর্ডানের এক হারানো উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ‘দ্য মোজেস এক্সপেডিশন’ উপন্যাসটি ক্ষমতা ও প্রাচীন বিশ্বের গোপন রহস্য উন্মোচনের এক রোমাঞ্চকর আখ্যান।</p>
হুয়ান গোমেজ-হুরাদো (মাদ্রিদ, ১৯৭৭) ইউরোপের অন্যতম সেরা থ্রিলার লেখক হিসাবে স্বীকৃত। তার উপন্যাসগুলো ৪৭টি ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং তিনি প্রিক্স কনিয়াক পোলার (২০২২), ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বেস্ট বুকস অব ২০২৩, সানডে টাইমস বেস্ট থ্রিলার বুক অব ২০২৩-সহ অনেক আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। এছাড়া, ২০২৩ সালে তিনি সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের ‘সেরা ক্রাইম নভেল’ পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন এবং ২০২৫ সালে পোল্যান্ডের রোক্লতে ‘অনারারি উইলকি কালিবার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন। ‘রেড কুইন ইউনিভার্স’-এর বইগুলোর (যেমন: দ্য পেশেন্ট, স্কার, রেড কুইন, ব্ল্যাক উলফ, হোয়াইট কিং, এভরিথিং বার্নস, এভরিথিং রিটার্নস এবং এভরিথিং ডাইস—সবই এদিসিওনেস বি থেকে প্রকাশিত) মাধ্যমে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় থ্রিলার ঘরানায় এক বিশাল সাড়া ফেলেছেন। ২০১৪ সালে ‘দ্য পেশেন্ট’ প্রকাশের পর থেকে এর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী; শুধু স্প্যানিশ ভাষাতেই এর সাড়ে চার মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে, ১২০,০০০-এর বেশি রিভিউ পেয়েছে এবং প্রাইম ভিডিওতে ‘রেড কুইন’-এর সিরিজটি মুক্তির সপ্তাহে আন্তর্জাতিকভাবে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা স্প্যানিশ সিরিজ ছিল। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাথে কাজ করেন এবং ওনদাস অ্যাওয়ার্ড (২০২৪) বিজয়ী পডকাস্ট ‘তোদোপোদোরোসোস’-এর সহ-স্রষ্টা। আন্তোনিয়া স্কট ও জন গুতিয়েরেজের গল্প শেষ করার পর, তিনি এখন নতুন চরিত্র ও ভিন্ন প্লট নিয়ে মিথ্যা ও রহস্যে ঘেরা এক নতুন গল্প শুরু করছেন। তার এই নতুন উপন্যাসটি পাঠকদের বারবার সব কিছু নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।
শরীফুল হাসানের জন্ম ময়মনসিংহে। ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে কেটেছে তার শৈশব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে দেশের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শরীফুল হাসানের প্রথম উপন্যাস সাম্ভালা প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে। পরবর্তীতে আরও দুটি বই নিয়ে গঠিত তার জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি সিরিজ সাম্ভালা ট্রিলজি দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। এই ট্রিলজির ইংরেজি অনুবাদ ভারতে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও তার সাহিত্যজীবনের সূচনা হয়েছিল ফ্যান্টাসি ও থ্রিলারধর্মী রচনার মাধ্যমে, পরবর্তীকালে তিনি নানা ধরনের সাহিত্যধারায় কাজ করেছেন। তার এসব রচনা বাংলাদেশের পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে। এছাড়া তার অনেক বই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা থেকেও প্রকাশিত হয়েছে।
এই ফিল্টারে কোনো রিভিউ পাওয়া যায়নি।
এখনো কোনো লিখিত রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউটি আপনিই দিন!

বইটি প্রকাশিত/স্টকে এলে আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেব। নিচে আপনার ইমেইল দিন।